Basil (Tulsi) – তুলসি গাছ
200৳- ব্রংকাইটিস, অ্যাজমা, ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং ঠান্ডা-সর্দিতে তুলসী পাতার সঙ্গে মধু ও আদার মিশ্রণ দারুণ কাজ করে।
- খালি পেটে তুলসীর পাতা খেলে কিডনির পাথর দূর হয়।
- তুলসীর পাতায় তৈরি হালকা গরম জুস পাকস্থলীর প্রদাহ নিরাময় করে।
Neem Leaves – নিম পাতা
200৳- কৃমিনাশক উপাদান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ত্বকের সমস্যা সমাধান করে।
- দাতের ক্ষয় রোধ করে।
- রক্তে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে।
Chirayta Leaves (Kalomegh) – কালোমেঘ / চিরোতা
200৳- এর পাতা দিয়ে পচা ক্ষত পরিষ্কার করা হয়।
- এর রস কৃমি নাশক।
- রক্ত আমশায় দূর করে।
- ক্যান্সার রোগ প্রতিরোধে কার্যক্রম জোরদার।
- বহুমূত্ররোগ দের সেরা রেটিং পয়েন্ট এর ঔষুধ
- ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।
Chaste Leaves – নিশিন্দা পাতা
200৳- নিশিন্দার পাতা অন্তপরজীবী নাশক এবং যক্ষ্মা ও ক্যান্সারবিরোধী গুণ রয়েছে।
- নিশিন্দা পাতা গরম করে যে কোনো ফোলা বা মচকানোর ব্যথাযুক্ত কিংবা প্রদাহের স্থানে রেখে গরম কাপড় দিয়ে বেঁধে দিতে হবে। প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ বার করে। এতে করে আক্রান্ত স্থান দ্রুত ভাল হয়ে যায়।
Bask Leaves – বাসক পাতা
200৳- বাসক পাতার ১-২ চামচ রসের সঙ্গে এক চামচ মধু মিলিয়ে খেলে শিশুর সর্দি-কাশির উপকার
পাওয়া যায়। - এই পাতার রস গোসলের আধা ঘণ্টা আগে মাথায় মাখলে উকুন মরে যায়। এছাড়া আমবাত ও
ফোঁড়ার প্রাথমিক অবস্থায় বাসক পাতা বেটে প্রলেপ দিলে ফোলা ও ব্যথা কমে যায়। - বুকে কফ এবং এর জন্য শ্বাসকষ্ট হয় বা কাশি হয় তখন বাসক পাতার রস ১-২ চামচ মধুসহ
খেলে কফ সহজে বেরিয়ে আসে।