‘পলিসিস্টিক ওভারি’ একটি নারীদের রোগ ।

‘পলিসিস্টিক ওভারি’ একটি নারীদের রোগ ।

সাধারণত ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী মহিলাদের মধ্যে পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (PCOS) হতে দেখা যায়। PCOS-এ আক্রান্ত মহিলাদের মধ্যে পুরুষ হরমোন অ্যান্ড্রোজেনের লেভেল অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে মহিলাদের মধ্যে একটি একটি সাধারণ ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক্ষেত্রে, মহিলাদের ডিম্বাশয়ে সিস্ট দেখা দেয়। সাধারণত এই রোগের কারণ হিসেবে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং অগোছালো জীবনযাত্রাকেই দায়ী করা হয়। যাদের PCOS হয় তাদের গর্ভধারণের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে। যদিও চিকিৎসার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা যায়, কিন্তু কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি আছে যেগুলি অনুসরণ করলেও এর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

মেথি
মেথি ইনসুলিনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে, মেথি শরীরের গ্লুকোজ সহ্য করার ক্ষমতা বাড়ায় যা ওজন কমাতে সহায়তা করে। মেথি বীজ সারারাত জলে ভিজিয়ে রাখুন এবং সকালে খালি পেটে পান করুন। মেথি বীজ পিসিওএস নিয়ন্ত্রণেও খুব উপকারি।

মেথি

মধু
আমরা সবাই জানি যে, মধু আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারি। মধু গ্রহণের মাধ্যমেও পিসিওএস নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এক চামচ মধু, লেবু, হালকা গরম জলে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে পান করুন। এটি PCOS-এর অবস্থার উন্নতি করার পাশাপাশি ওজন কমাতেও সহায়তা করে।

মধু

ফ্ল্যাক্সসিড
ফ্ল্যাক্সসিড ফাইবার, ওমেগা-৬ এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। শরীরে অ্যান্ড্রোজেন হরমোনের আধিক্য, অর্থাৎ যে কারণে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম দেখা দেয়, ফ্ল্যাক্সসিড তা কম করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি কোলেস্টেরল এবং উচ্চ রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে। এই বীজ জলে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে তারপর পান করতে পারেন এবং এটি গুঁড়ো করে সকালে খালি পেটে জলে মিশিয়েও খেতে পারেন।

ফ্ল্যাক্সসিড

দারুচিনি
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য দারুচিনি অত্যন্ত উপকারি। এটি ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া, দারুচিনি PCOS নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করতে পারে। দই এবং মিল্কশেকের সাথে এটি খাওয়া যেতে পারে। এক গ্লাস গরম জলে এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে পান করুন।

দারুচিনি

অ্যাপথাস আলসার

অ্যাপথাস আলসার

অ্যাপথাস আলসার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্বতস্ফূর্তভাবে ভালো হয়ে যায়। এ কারণেই মুখের আলসার সম্পর্কে সাধরণ মানুষ মজা করে বলেন যে, মুখের ঘাঁ ওষুধ খেলে ভালো হতে সময় লাগে ১৪ দিন আর ওষুধ না খেলে সময় লাগে ৭ দিন। বিষয়টি নিয়ে হাস্যরস করা যায় ঠিকই কিন্তু বেশি ব্যথা থাকলে অবশ্যই ওষুধ সেবন করতে হবে। তাছাড়া মুখের আলসারটি অ্যাপথাস আলসার না অন্য খারাপ কিছু সেটি অবশ্যই জানা জরুরী।
অ্যাপথাস আলসার না হয়ে মুখের আলসারটি খারাপ কিছু হলে আলসার নিয়ে মুখের হাসি বা হাস্যরস বিলীন হতে সময় লাগবে না।

অ্যাপথাস আলসার কোথায় হয়?
মুখের যে অংশগুলো সাধারণত চলমান বা নড়াচড়া করে সেখানেই অ্যাপথাস আলসার হয়ে থাকে, যেমন-জিহবা, ঠোট ও চিবুকের অভ্যন্তরের আবরণের উপর। এছাড়া মাড়িতে অ্যাপথাস আলসার হতে পারে।

অ্যাপথাস আলসার দেখতে কেমনঃ
অ্যাপথাস আলসার সাদা অথবা হলুদ ডিম্বাকৃতির হয়। চারপাশে প্রদাহযুক্ত লাল বর্ডার লাইন দেখা যায়। লাল বাউন্ডারির মধ্যে ধুসর, সাদা বা হলুদ এলাকা হয় ফিব্রিন গঠনের কারণে। ফিব্রিন একটি প্রোটিন যা রক্ত জমাট বাঁধার সাথে সম্পৃক্ত।

অ্যাপথাস আলসারের কারণ সমূহ:
প্রকৃত কারণ এখনো অজানা। সম্ভাব্য কারণ সমূহ যার প্রভাবে অ্যাপথাস আলসার হতে পারে, সেগুলো হলোঃ
ক) আঘাত জনিত কারণে যেমন, টুথব্রাশের খোঁচা।
খ) মানসিক চাপ।
গ) ঘুমের ব্যাঘাত বা অপর্যাপ্ত ঘুম।
ঘ) অতিরিক্ত সাইট্রাস ফল সেবন, যেমন, কমলা অথবা লেবু।
ঙ) খাদ্যে এলার্জি জনিত কারণে।
চ) রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সমস্যা।
ছ) ভিটামিন বি১২, আয়রন এবং ফলিক এসিডের অভাবজনিত কারণে।
জ) নিকোরোডিল এবং কিছু কেমোথেরাপির কারণেও অ্যাপথাস আলসার হতে পারে।
ঝ) ক্রনস ডিজিজে ও অ্যাপথাস আলসার হতে পারে।
ঞ) টুথব্রাশের অ্যাবরেশনের কারণে অ্যাপথাস আলসার হতে পারে।
ট) ধারালো বা অ্যাব্রেসিভ খাবার যেমন, টোস্ট, চিপস দ্বারা কোনো ক্ষত।
ঠ) দাঁত দ্বারা কামড়ানোর ফলে কোনো ক্ষত।
ড) ডেন্টাল ব্রেস মিউকাস মেমব্রেনের ক্ষতিসাধন করে অ্যাপথাস আলসার সৃষ্টি করতে পারে।
ঢ) সিলিয়াক ডিজিজের ক্ষেত্রেও অ্যাপথাস আলসার হতে পারে।
পুষ্টি: বার বার অ্যাপথাস আলসারের ক্ষেত্রে জিংকের অভাবের যোগসূত্র থাকতে পারে। এক্ষেত্রে জিংক সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।

চিকিৎসা:
*মশলাযুক্ত খাবার গ্রহণ কমাতে হবে।
*কসমেটিক মাউথ ওয়াশ অর্থাৎ হালকা গরম পানি ও লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করা যেতে পারে।
*ভিটামিন বি১২ দেওয়া যেতে পারে।
*অ্যামলেক্সানকস্ ওরাল পেস্ট অ্যাপথাস আলসার সারাতে সাহায্য করে এবং ব্যথা কমায়।
তবে একটি কথা মনে রাখতে হবে ভাইরাসের কারণেও মুখে কিছু আলসার দেখা যায় যা দেখতে অ্যাপথাস আলসারের মত দেখা যায়। তাই যে কোন ঘাঁ বা আলসার হলেই তাকে অ্যাপথাস আলসার হিসেবে ধরে নেয়া ঠিক নয়। সঠিক পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করতে হবে। তবেই আলসার এর সঠিক চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব।

পুরুষেরা বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ইতি টানতে এই পরামর্শগুলো মেনে চলুন

পুরুষেরা বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ইতি টানতে এই পরামর্শগুলো মেনে চলুন

পৃথিবীর সমস্ত মানুষই চায় বিবাহের পর তাদের জীবনে খুদে কারোর উপস্থিতি। কিন্তু এই চাওয়া পাওয়া তো সবসময় পূর্ণ হয় না। কারণ, বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে অনিয়মিত জীবনযাত্রা, বেশি বয়সে বিয়ে, মাত্রাতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি, শরীরে ফ্যাট, খাওয়া-দাওয়ার অযত্ন ও মানসিক চাপ সন্তান জন্ম দেওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, অর্থাৎ দেখা দিচ্ছে বন্ধ্যাত্ব। আর এই বন্ধ্যাত্ব এমন একটি সমস্যা যা বহু বিবাহিত দম্পতির মন এবং জীবনকে জর্জরিত করে তোলে, পাশাপাশি বিচ্ছেদও ঘটে সম্পর্কের। একটা সময় ছিল যখন বন্ধ্যত্বের সমস্যার জন্য দায়ী করা হতো কেবলমাত্র নারীদের। তবে আধুনিক গবেষণা ও বিজ্ঞান তাদের এই ধারণাকে ভুল বলে প্রমাণিত করেছে। এই সমস্যার জন্য শুধু নারী নয়, পুরুষরাও সমানভাবে দায়ী। বেঙ্গালুরুর একটি মেডিক্যাল টেকনোলজি সংস্থার গবেষণা অনুযায়ী, ভারতে ১০-১৫ শতাংশ বিবাহিত দম্পতি বন্ধ্যাত্বের মুখোমুখি হন। এখনও পর্যন্ত মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৭.৫ মিলিয়ন দম্পতি বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ভুগছেন। বর্তমান সময়ে পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই বন্ধ্যাত্বের সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তবে মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের বন্ধ্যাত্বের সমস্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে ক্রমশ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বন্ধ্যাত্বের জন্য দায়ী পুরুষেরাই।

তবে চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে সাধারণ কিছু নিয়ম কানুন মেনে চললে ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন ঘটালেই সুস্থ সবল প্রজনন ক্ষমতা ধরে রাখতে সমস্যা হবে না কারুরই। আসুন তবে জেনে নিন পুরুষেরা প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে ও বন্ধ্যত্ব প্রতিরোধে কী করবেন।

বন্ধ্যাত্বের কারণ কী?
১) খাদ্যাভাসের জটিলতা
২) মাত্রাতিরিক্ত শারীরিক ও মানসিক চাপ
৩) শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
৪) অনুপযুক্ত পুষ্টি
৫) বীর্যপাতকে ঘিরে সমস্যা
৬) অ্যান্টি-স্পার্ম অ্যান্টিবডিগুলির উপস্থিতি
৭) বেশি মাত্রায় অ্যালকোহল গ্রহণ, ধূমপান ও ড্রাগ সেবন
৮) প্রজনন ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে এমন কিছু ওষুধ খাওয়া
৯) আধুনিক জীবনযাত্রা বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধে কী করবেন

বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধে কী করবেন

১) ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন
নিয়ন্ত্রনহীন জীবনযাত্রার কারণে আমরা অনেকেই মোটা হয়ে যাই এবং ওজন দ্রুত হারে বৃদ্ধি পায়। এটি বন্ধ্যাত্বের একটি বড় কারণ। সুস্থ সন্তানের জন্ম দিতে হলে স্বাভাবিক ওজন এবং নীরোগ শরীর থাকাটা আবশ্যক। বেশি বা খুব কম ওজন সন্তান ধারণের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই উচ্চতা ও বয়স অনুযায়ী ওজনকে নিয়ন্ত্রণ করুন। এই মাত্রাতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি কেবলমাত্র পুরুষদের জন্য নয়, নারীদের ক্ষেত্রেও এই সমস্যার ফলে বন্ধ্যাত্ব দেখা দিতে পারে। বন্ধ্যাত্ব দূরীকরণে ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিকভাবে ডায়েট মেনে চলুন এবং শরীরচর্চা করুন।

২) খাদ্যাভ্যাস
খাদ্যাভ্যাস বন্ধ্যাত্বের আরেকটি অন্যতম কারণ। অসময়ে খাওয়া, সঠিক খাদ্যের পরিবর্তে বাইরের অতিরিক্ত জাঙ্কফুড গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব বাবা হওয়ার স্বপ্নকে ভেঙে দিতে পারে। তাই বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধ করতে বিভিন্ন ভিটামিন, আয়রন ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ সঠিক খাদ্য পাতে রাখুন। মৌসুমী ফল, আমন্ড, শাকসবজি, কুমড়োর বীজ, ডার্ক চকোলেট, আমলকি, রসুন, মধু, ব্রকলি, চেরি, বিট, গাজর, দুধ, দই ও ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ খাবার খান। তেলে ভাজা জাতীয় খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

৩) শরীরচর্চা
কেবলমাত্র ওজনের ব্যালেন্স ঠিক রাখার জন্য শরীরচর্চার প্রয়োজন তা কিন্তু নয়, শরীরের পুরুষ হরমোনগুলির অতিরিক্ত ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করবে ব্যায়াম। তাই রোজ যোগাসন বা ব্যায়াম করুন।

৪) চাপমুক্ত থাকুন
বন্ধ্যাত্বের আরেকটি বড় সমস্যা হলো মানসিক চাপ। বর্তমান দিনে এটি মাত্রাতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধের ক্ষেত্রে নিজেকে চাপমুক্ত রাখুন। মনকে ভালো রাখতে নিজের পছন্দের কাজগুলো করুন এবং অবসর সময়ে নিজেকে বিশ্রাম দিন।

৫) পর্যাপ্ত ঘুম
বর্তমান দিনে ব্যস্ত রুটিনের কারণে আমরা সকলেই ঘুম-কে প্রায় ভুলতে বসেছি। কিন্তু প্রয়োজন অনুযায়ী ঘুম না হলে দেখা দিতে পারে বন্ধ্যাত্বের সমস্যা। তাই রুটিন মাফিক নিয়মিত সঠিক সময়ে ঘুমোতে যান এবং সঠিক সময়ে ঘুম থেকে উঠুন। প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমোন।

৬) মেথি গ্রহণ করুন
মেথি একটি জনপ্রিয় ঔষধি ও রন্ধন দ্রব্য। বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধ করতে মেথির ভূমিকা কিন্তু অপরিসীম। ৩০ জন পুরুষের উপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, সপ্তাহে চার বার করে ৫০০ মিলিগ্রাম মেথির জল গ্রহণের ফলে তাদের ইরেক্টাইল ফাংশন এবং যৌন ক্রিয়াকলাপের মাত্রা যথেষ্ট হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

থাইরয়েড ক্যান্সার,             জানুন এই রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে

থাইরয়েড ক্যান্সার, জানুন এই রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে

ম্যানি ও কিজি-কে নিশ্চয়ই মনে আছে আপনাদের। ‘দিল বেচারা’ সিনেমাতে অভিনয় করে দর্শকের মন জয় করে নেওয়া দুই তরুণ অভিনেতা। এই ছবিতে ম্যানি অর্থাৎ সুশান্ত সিং রাজপুত এবং কিজি অর্থাৎ সঞ্জনা সাঙ্ঘি দুজনেই দু’ধরনের ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। একজন অস্টিওসারকোমা এবং অপরজন থাইরয়েড ক্যান্সার। ছবির এই স্টোরিলাইন দর্শকের মনকে আবেগময় করে তুলেছিল। ছবিতে সঞ্জনা সাঙ্ঘি থাইরয়েড ক্যান্সারে ভুগছিলেন এবং তাকে সর্বদাই একটি অক্সিজেন সিলিন্ডার বহন করতে দেখা যায়। যার ফলে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে, এটা কেমন ধরনের অসুখ! তবে চলুন জেনে নিন থাইরয়েড ক্যান্সার রোগটি আসলে কী?

থাইরয়েড ক্যান্সার কী?
থাইরয়েড ক্যান্সার হয় থাইরয়েড গ্ল্যান্ডে। এই থাইরয়েড গ্ল্যান্ড আমাদের স্বরগ্রন্থির নিচে থাকে। থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরের বিভিন্ন বিপাকীয় ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। যখন থাইরয়েড গ্রন্থির কোষ সাধারণ অবস্থার থেকে অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকে এবং টিউমারের সৃষ্টি করে, তখন থাইরয়েড ক্যান্সার দেখা দিতে পারে।

থাইরয়েড ক্যান্সারের প্রকার
প্যাপিলারি,
ফলিকুলার,
মেডালারি ও
অ্যানাপ্লাস্টিক-এই চার ধরনের থাইরয়েড ক্যান্সার হতে পারে।

থাইরয়েড ক্যান্সার হওয়ার প্রধান কারণ
থাইরয়েড ক্যান্সারের সঠিক কারণ এখনও পর্যন্ত বের করা যায়নি। তবে উত্তরাধিকার সূত্রে থাইরয়েড ক্যান্সার হয় বলে মনে করা হয়। এছাড়াও,
১) মাথা এবং ঘাড়ে অত্যধিক রেডিয়েশনের প্রভাবে এই ক্যান্সার দেখা দিতে পারে।
২) স্থূলতা।
৩) দীর্ঘদিন ধরে থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃ‌দ্ধি হতে থাকলে থাইরয়েড ক্যান্সারের সম্ভাবনা থাকে।
৪) ক্রনিক হেপাটাইটিস-সি থেকে থাইরয়েড ক্যান্সারের সম্ভাবনা থাকে৷

লক্ষণ
১) গলায় হঠাৎ কোনও মাংস পিণ্ড দেখা দেওয়া। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাংস পিণ্ড দৃশ্যমান হয় না।
২) খাবার গিলতে সমস্যা।
৩) শ্বাস নিতে অসুবিধে।
৪) গলার আওয়াজ কর্কশ হয়ে যাওয়া বা বসে যাওয়া।
৫) ঘাড়ের চারপাশে ও গলায় ব্যথা।
৬) খাবার প্রতি অনীহা এবং ওজন কমে যাওয়া।
৭) গরম হওয়া সহ্য করতে না পারা।
৮) হালকা কাশি।
৯) ঋতুচক্রে অনিয়ম।

ঝুঁকি
১) ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সের পর এই রোগ বেশি দেখা দেয়। তবে বর্তমান দিনে অল্প বয়সিদের মধ্যেও দেখা দিচ্ছে।
২) পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি।
৩) বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে এই রোগ বেশি দেখা দিচ্ছে।

রোগ নির্ণয়
১) এই ধরনের লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবহেলা না করে এন্ডোক্রিনোলজিস্টের পরামর্শ নিন৷
২) T4,TSH রক্ত পরীক্ষা এবং হাই রেজোলিউশন আল্ট্রাসাউন্ড টেস্টের মাধ্যমে নির্ণয় করা যেতে পারে।
৩) বায়োপসি ও এমআরআই স্ক্যানের মাধ্যমেও নির্ণয় করা হয়।
৪) থাইরয়েড গ্ল্যান্ডে ক্যান্সার রয়েছে কিনা তা নির্ণয় করতে সরু সূচ দিয়ে গ্ল্যান্ড থেকে রস টেনে নিয়ে তার পরীক্ষা করা হয়, যাকে বলে ‘এফএনএসি’৷

চিকিৎসা
ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা ও গবেষণা পদ্ধতির কারণে প্রায় ৯৪ শতাংশ রোগী খুব তাড়াতাড়িই সেরে ওঠেন। তাই ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।
১) ক্যান্সার থাক বা সন্দেহের পর্যায় থাক, দুই অবস্থাতেই ডাক্তাররা সার্জারি করে থাকেন। কতটা সার্জারি করবেন, কতগুলো গ্ল্যান্ড বাদ দেবেন তা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর বিবেচনা করে সার্জারি করা হয়। সার্জারির পর বায়োপসিতে পাঠানো হয়। এরপরই জানা যাবে ক্যান্সারের বিস্তার এবং ক্যান্সারের স্টেজ সম্পর্কে।
২) রেডিওথেরাপি ও কেমোথেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়।
৩) বেশি মাত্রায় তেজস্ক্রিয় আয়োডিন খাওয়ানোর মাধ্যমেও চিকিৎসা করা হয়।
৪) থাইরক্সিন জাতীয় ওষুধ সেবনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে রোগীকে সুস্থ করে তোলা হয়।

অস্টিওসারকোমা ,               জানুন এই রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে

অস্টিওসারকোমা , জানুন এই রোগের লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে সুশান্ত সিং রাজপুত ও সঞ্জনা সাঙ্ঘি অভিনীত ‘দিল বেচারা’ সিনেমাটি। ছবির গল্প এবং অভিনয় মন ছুঁয়ে গেছে দর্শকের। সিনেমাতে দেখা গেছে এই দুই তরুণ অভিনেতা দুই ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত। এখানে সুশান্ত সিং রাজপুত অর্থাৎ ম্যানি একজন অস্টিওসারকোমা রোগীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। যিনি চেয়েছিলেন তার জীবনকে পুরোপুরিভাবে উপভোগ করতে, কিন্তু সিনেমার শেষে দেখা যায় প্রাণচঞ্চল এই ছেলে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়েন। ফলে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে কী এই অস্টিওসারকোমা? যার কবলে পড়ে মৃত্যু হল ম্যানির। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক এই রোগটির সম্পর্কে।

অস্টিওসারকোমা কী?
সার্কোহেল্প (Sarcohelp.org) এ প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, অস্টিওসারকোমা হল এক ধরনের হাড়ের ক্যান্সার বা বোন ক্যান্সার, যা শরীরের লম্বা হাড়ে হতে দেখা যায়। আক্রান্ত স্থানে টিউমারের মত ফুলে যায়। ক্যান্সার সোসাইটি জানাচ্ছে যে, সমস্ত হাড় সংক্রান্ত ক্যান্সারের মধ্যে অস্টিওসারকোমা-ই সবথেকে বেশি হতে দেখা যায়। এটি মূলত হাড়ের অস্টিওব্লাস্ট কোষে দেখা যায়।

কাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়?
এটি সব থেকে বেশি দেখা যায় শিশু ও কিশোর বয়সে। মূলত টিন-এজারদের মধ্যে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়। যদিও অস্টিওসারকোমা যেকোনও বয়সে যে কারোর মধ্যেই দেখা দিতে পারে। মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। বয়স্কদের মধ্যে এই রোগ দেখা দিলে রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে ক্যান্সার কোষ শরীরের অন্যান্য অস্থিতে ছড়িয়ে পড়ে।

শরীরের কোথায় কোথায় দেখা যায়?
জন হপকিন্স মেডিসিন এর মতে, এই ক্যান্সারে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় হাঁটুর চারপাশ। এছাড়াও, পায়ের ওপরের অংশে বা থাইতে, পায়ের নীচের অংশে, বাহুর হাড়, কাঁধ ও মাথার খুলিতেও দেখা যায়।

অস্টিওসারকোমা হওয়ার কারণ কী?
সার্কোহেল্প (Sarcohelp.org) এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত এই রোগের সঠিক কারণ আবিষ্কার করা যায়নি। তবে অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন, হাড় ইমপ্লান্ট, হাড়ে জোরালো আঘাত এবং জিনগত কোনও রোগ, ইত্যাদি কারণে এটি দেখা দিতে পারে।

প্রকারভেদ
অস্টিওসারকোমাকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
১) হাই গ্রেড
২) ইন্টারমিডিয়েট গ্রেড
৩) লো গ্রেড

রোগের লক্ষণ
১) আক্রান্ত হাড়ে ব্যথা এবং ফোলাভাব।
২) সময়ের সাথে সাথে এই ব্যথা বাড়ে।
৩) পায়ের হাড়ে হলে মাঝেমাঝেই খুঁড়িয়ে চলতে হয়।
৪) অসুখটি খুব বেড়ে গেলে হাড় ভেঙেও যেতে পারে এবং অসহ্য যন্ত্রণা হয়।

রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা
লক্ষণগুলির উপর ভিত্তি করে পরিবার এবং ব্যক্তিগত ইতিহাস জানার পর একটি পরীক্ষার মাধ্যমে এই রোগ নির্ণয় করা হয়। রোগ নির্ণয় সংক্রান্ত পরীক্ষাগুলি এক বা একাধিক বার করতে হতে পারে। বায়োপসি, এক্স-রে, বোন স্ক্যান, এমআরআই, সিটি স্ক্যান এর মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে এবং ক্যান্সারের স্টেজ এর উপর ভিত্তি করে কেমোথেরাপি ও রেডিয়েশন থেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। এছাড়াও সার্জারির মাধ্যমে এই রোগের চিকিৎসা করা হয়।

নাক ডাকার সমস্যা?                স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগে আক্রান্ত নন তো?

নাক ডাকার সমস্যা? স্লিপ অ্যাপনিয়া রোগে আক্রান্ত নন তো?

প্রত্যেক মানুষের কাছেই নাক ডাকার সমস্যা অত্যন্ত বিরক্তিকর। যদিও যিনি নাক ডাকেন তিনি বিশেষ টের পান না। কিন্তু যারা সেই ডাক শোনেন, তাঁরা খুবই বিরক্ত হয়ে ওঠেন। আপনি যদি ভাবেন যে নাক ডাকা অত্যন্ত সাধারণ একটি সমস্যা, তাহলে ভুল করছেন। কারণ, নাক ডাকা কিন্তু কোনও ক্ষেত্রে জটিল রোগেরও ইঙ্গিত হতে পারে। ঠান্ডা লেগে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা, বয়স বাড়লে এবং শরীরের মাত্রাতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধির কারণে নাক ডাকার সমস্যা মাথায় চড়ে বসে। কিন্তু আর একটি ভয়াবহ রোগের কারণেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। যার নাম ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’। এই রোগ অনেকটা নিঃশব্দ ঘাতকের মতো, অর্থাৎ ঘুমের মধ্যেই অকাল মৃত্যু হতে পারে এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির।

যদিও, ENT স্পেশালিস্টদের মতে, সব নাক ডাকাই ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’ নয়। কিন্তু ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’ রোগ থাকলে নাক ডাকার সমস্যা থাকবেই। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, মূলত উচ্চ রক্তচাপ, টনসিলের সমস্যা, স্থূলতা, কিডনির সমস্যা, ডায়াবেটিস, হৃদরোগের মতো সমস্যার কারণে শরীরে বাসা বাঁধে এই প্রাণঘাতী ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’। আমেরিকান জার্নাল অফ এপিডেমিওলজি-তে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩ কোটি মানুষ ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’ রোগে আক্রান্ত। অন্য একটি গবেষণার তথ্য অনুযায়ী ভারতবর্ষে প্রায় ৩৬.৩৪ মিলিয়ন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। তবে চলুন, জেনে নেওয়া যাক ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’ সম্পর্কে বিস্তারিত।

স্লিপ অ্যাপনিয়া কী?

স্লিপ অ্যাপনিয়া হল একটি ঘুমের অসুখ। ঘুমানোর সময় এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শ্বাস নেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়, শ্বাস নেওয়া ক্রমাগত বন্ধ হয়ে যায়। অক্সিজেন সাপ্লাই কমে গিয়ে কখনও কখনও মানুষের মৃত্যু পর্যন্তও ঘটে। এই রোগের সাধারণ একটি লক্ষণ হচ্ছে ‘নাক ডাকা’। সাধারণত মহিলাদের তুলনায় পুরুষরা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন।

প্রকারভেদ
এই রোগ সাধারণত দুই প্রকারের হয়।
১) অবস্ট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া – এটি রোগের সাধারণ অবস্থা। যেখানে নাক থেকে শ্বাসনালীর মধ্যেকার কোনও একটি অংশ অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে শ্বাস নিতে সমস্যা হয় এবং নাক ডাকে।
২) সেন্ট্রাল স্লিপ অ্যাপনিয়া – এটি এমন একটি অবস্থা, যেখানে মস্তিষ্ক সঠিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণকারী পেশিগুলোকে সঠিক সময়ে সংকেত প্রেরণ করতে পারে না।

রোগের লক্ষণ
১) জোরে জোরে নাক ডাকা।
২) ঘুমানোর সময় হাঁপানো বা শ্বাস নিতে সমস্যা হওয়া।
৩) খিটখিটে ও বদমেজাজি হয়ে পড়া।
৪) রাতে ঘুম না হওয়ার কারণে সারাদিন ধরে ঝিমুনি ভাব।
৫) মাথা যন্ত্রণা
৬) অনিদ্রা
৭) মুখ ও গলা শুকিয়ে যাওয়া
৮) রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া

রোগের কারণ
১) শরীরে অত্যাধিক ফ্যাট জমা হওয়া এবং ওজন বৃদ্ধি হওয়ার ফলে এই রোগ দেখা দেয়। ২) বিশেষত গলা ও বুকের চারপাশের অঞ্চলে স্থূলতা।
৩) বয়সজনিত কারণে দেখা দিতে পারে। মূলত ৩০ থেকে ৬৫ বছর বয়সীদের মধ্যে।
৪) মাত্রাতিরিক্ত ধূমপানের ফলে।
৫) বংশগত কারণে।
৬) টনসিলের বৃদ্ধি পাওয়া।
৭) শিশুদের ক্ষেত্রে, স্বাভাবিক সময়ের আগে জন্মগ্রহণ করলে এই রোগ দেখা দিতে পারে। ৮) কিডনি এবং হৃদযন্ত্রের বিকলতা।

রোগ নির্ণয়
প্রথম অবস্থায় রোগের লক্ষণের উপর ভিত্তি করে চিকিৎসকেরা রোগ নির্ণয় করে থাকেন। লক্ষণ দেখে যদি নির্ণয় সম্ভব না হয় তবে Polysomnography টেস্ট করা হয়। যার সাহায্যে রোগীর নিঃশ্বাসের গতিবিধি, রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা, হৃদযন্ত্র, ফুসফুস এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা পরিমাপ করা হয়।

চিকিৎসা
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রোগের চিকিৎসা রোগের মাত্রার উপর নির্ভর করে করা হয়। তবে কিছু ঔষধপত্র সেবন এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন করলে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। যেমন – ওজন কমানো এবং ধূমপান ত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়। সিরিয়াস ক্ষেত্রে ‘কন্টিনিউয়াস পজিটিভ এয়ারওয়ে’ প্রেসার ঠিক রাখার জন্য মাস্ক দেওয়া হয়। এছাড়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারও করে থাকেন চিকিৎসকেরা।

প্রতিরোধের উপায়
১) ওজন নিয়ন্ত্রণে এনে শরীরকে স্লিম ও ফিট রাখতে হবে।
২) ধূমপান ও অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকতে হবে।
৩) খাওয়া-দাওয়া নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
৪) খাবার পরেই না ঘুমিয়ে ১৫-২০ মিনিট হাঁটাচলা করার পর তবে ঘুমোনো উচিত।
৫) নিয়মিত ব্যায়াম ও মর্নিং ওয়াক, সাঁতার কাটা এবং সাইকেল চালানোর অভ্যাস করুন। ৬) ঘুমোনোর ভঙ্গিমা পরিবর্তন করতে হবে, যেমন – চিত হয়ে শোওয়ার পরিবর্তে এক পাশ ফিরে শোওয়ার অভ্যাস করুন।
৭) শ্বাসকষ্টের সমস্যা বেশি দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করবেন।