কচি গম ঘাসের রস রোগ নিরাময়ের শ্রেষ্ঠ ঔষধ কেন ?

0
80

ইতিহাস

কচি গমপাতার রস প্রতিদিন পানকরার অভ্যাস গড়ে তোলার পূর্বে আমাদের এর আবিষ্কারের ইতিহাস জানা প্রয়োজন। যদিও মহান সৃষ্টিকর্তা সবুজ পাতার রস শরীরের জন্য শ্রেষ্ঠ খাবার হিসাবে আমাদের উপহার দিয়েছেন। এর উপকার এবং বিরল ঔষধি গুণ সম্বদ্ধে আমাদের দেশে প্রায় অজ্ঞাত রয়ে গেছে। এই বিরল খাদ্য উপাদান কীভাবে আবিষ্কৃত হয়েছে। একটু খেয়াল করে লক্ষ করলেই দেখা যাবে যে, বন্যগরু, ছাগল, মহিষ, হরিণ সবাই জঙ্গলে সাধারণত ঘাসের এবং গাছের কচিপাতা খায় অথচ তাদের কত শক্তি খিপ্রতা এবং গতিবেগ। গবেষণায় দেখা গেছে, গাছের পাতা মানুষ এবং বিভিন্ন প্রজাতির পশুপক্ষী কীটপতঙ্গের খাবার হিসাবে সরাসরি বা বিকল্প হিসাবে ব্যবহার হয়ে আসছে।
পৃথিবীতে প্রতিটি আবিষ্কারের পিছনে একটা ছোট ঘটনা থাকে। একইভাবে ১৯০০ সালে কোনো একসময় জার্মানির এডমান্ড বোরডিঅঙ্গ নামক এক ভদ্রলোক বহু প্রাচীন একখানা বিবলিক্যাল্ (বাইবেল সম্বন্ধীয়) পা-লিপি তার হস্তগত হয়। সেই বইয়ে জেসাস ক্রাইস্ট খাদ্য সম্পর্কে একটি উপদেশ দিয়েছিলেন, “তোমরা খাদ্যকে রান্না করে মেরে ফেল না”। এবং এই বই থেকে আরও জানতে পারল যে, সমস্ত জাতের ঘাস মানুষের জন্য উপকারী এবং গমেরঘাস মানুষের জন্য উৎকৃষ্ট খাবার। তখন থেকেই গমঘাসের উপর আগ্রহ সৃষ্টির শুরু এবং নানারকম গবেষণা চলতে থাকল। ১৯৪০ সালে চার্লস কেটারিং জেনারেল মটর এর সাবেক চেয়ারম্যান গমঘাসের ক্লোরোফিলের উপর আরো ব্যাপক গবেষণার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ অর্থ অনুদান দিলেন। এরপর থেকে গবেষক এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানীগণ ব্যাপকভাবে একের এক গবেষণালব্ধ প্রতিবেদন বের করতে থাকল। দেখা গেল গমঘাসের ক্লোরোফিল খুবই উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রোগ আরোগ্যকারী একটি বিরল খাদ্যদ্রব্য। ১৯৪০ সালের কোনো একসময় এ্যান উইগমোর নামক এক মহিলা এই গমঘাসের ক্লোরোফিল সমৃদ্ধ রস নিয়মিত খেয়ে ক্যান্সার রোগ থেকে মুক্ত হয়ে ছিলেন। এরপর ঐ মহিলা তার এক বন্ধু ডা. অরেফ থমাসকে সঙ্গে নিয়ে প্রাকৃতিকভাবে রোগ নিরাময়ের উপর ব্যাপক গবেষণা পরিচালনা করেন। বিভিন্ন গবেষণায় দেখতে পান পৃথিবীতে প্রায় ৪৭০০ প্রকারের ঘাস পাওয়া যায় যেগুলি সব মানুষের জন্য উপকারী তবে গমঘাসের রস বা তরল ক্লোরোফিল সর্বশ্রেষ্ঠ যাকে ঔষধি ঘাস হিসাবে বিবেচিত। এরপর মিসেস এ্যান উইগমোর বোস্টন শহরে একটা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন এবং সারা পৃথিবীর আগ্রহী লোকদের ঘাসের গুণাগুণ এবং নিরাময়ের ক্ষমতার উপর শিক্ষা দিতে শুরু করেন। তখন থেকেই গমঘাসের তরল ক্লোরোফিল মানুষের কল্যাণে ব্যবহার হয়ে আসছে। এরপর জাপানের উপর ব্যাপক গবেষণা শুরু হয়। জাপানের এক বিরাট ঔষধ কোম্পানির মালিক দেখতে পেলেন তার কোম্পানির ঔষধ থেকে গম ঘাসের রস রোগ নিরাময়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং কার্যকরি। আগ্রহের বসবর্তী হয়ে তিনি চায়নিজ ঔষধ নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে জানতে পারেন একজন প্রখ্যাত চায়নিজ ঔষধ বিশেষজ্ঞ বলেছেন, “একমাত্র ডায়েটই শুধু শরীর সুস্থভাবে পরিচালিত হতে পারে এবং ডায়েটই শরীরের জন্য সর্বোত্তম ড্রাগ। ঠিক একইরকমভাবে হিপোক্রেট্স যাকে পশ্চিমা বিশ্বে ঔষধের পিতা হিসাবে গণ্য করে। তার সারা জীবনের গবেষণালব্ধ অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বলেছেন, ঐ একই কথা “খাদ্যই ঔষধ এবং খাদ্যই বিষ”। তাই আপনাকে জানতে হবে কোন খাদ্যগুলি শরীরের জন্য হিতকর এবং কোনগুলি নয়।
মহান আল্লাহ ইহজগতের সমস্ত জীবের জন্য আলাদা আলাদা খাদ্য ডিজাইন করে সৃষ্টি করেছেন। সমস্ত প্রাণী তার নির্ধারিত খাদ্য সরাসরি খেয়ে থাকে শুধু মানুষ তার নির্ধারিত খাদ্য অলটার করে খেয়ে চলেছে এবং নানাভাবে গবেষণা করে চলেছে কীভাবে আরো পরিবর্তন করে খাদ্যকে স্বাদ করা যায়। একমাত্র মানুষ ছাড়া প্রতিটি প্রাণী আল্লাহর ডিজাইন করা খাদ্যে কোনো পরিবর্তন না করে খেয়ে থাকে। তাই মানুষের মত বিভিন্ন রোগ প্রাণীদের হয় না। মানুষের জন্য আল্লাহর ডিজাইন করা খাদ্য হচ্ছে সবুজ শাকসবজি, ফলমূল এবং নানারকমের শস্যদানা। নানাভাবে রান্না করে এবং একে অপরের সঙ্গে মিশ্রিত করে যত পরিবর্তন করা হবে ততই খাদ্যের আরোগ্যকারী এবং রোগপ্রতিরোধক উপাদানের শক্তি কমে যাবে।
গমঘাসের রসের উপকারিতা, পুষ্টিবিধান এবং ঔষধি গুণ
প্রাথমিক অবস্থায় গমের গঠন উপাদানগুলি শস্যদানা অপেক্ষা সবজির উপাদানের সাথে সাদৃশ্য বলেই হয়ত গম চারাকে গমঘাস হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পুষ্টিমান বিবেচনায় বারলি এবং গম ঘাস প্রায় একইরকম। গমঘাস ছোট অবস্থায় ভিটামিন, মিনারেল, এ্যানজাইম, এমাইনো এসিড এবং ক্লোরোফিলে ভরপুর থাকে। যত বড় হতে থাকে এর পুষ্টি উপাদান ধীরে ধীরে কমতে থাকে। তাইতো কচি গমঘাসকে প্রকৃতির উৎকৃষ্ট খাদ্য হিসাবে বিবেচিত করা হয়। এর ভিতর রোগ নিরাময়ের এমন সব বিরল উপাদান বিদ্যমান থাকে যা অন্য কোনো উদ্ভিদে নেই।
গমচারার রস খুব সহজেই মুহূর্তের মধ্যে হজম হয়ে যায়। এই রস শরীরে টক্সিনমুক্ত করার বিরল ক্ষমতাসম্পন্ন এবং রোগপ্রতিরোধ করার শক্তি বৃদ্ধি করার ক্ষমতা অপরিসীম। গম ঘাসের পুষ্টিমান উপাদানের ঘনত্ব অনেক বেশি থাকে। একআউন্স গমঘাসের রস দেড় কেজি সবুজ পাতাজাতীয় সবজি অপেক্ষা বেশি। এই রস নিয়মিত সেবন করলে শরীরের কর্মশক্তি, সুস্থতা, চামড়ার মসৃণতা ও উচ্ছলতা বৃদ্ধি পায়।
গম ঘাসের পুষ্টি উপাদান
* এতে শরীরের জন্য প্রচুর পরিমাণে অত্যান্ত জরুরি এনজাইম আছে। যেমন: প্রোটেজ, এমাইলেজ, লিপেজ ইত্যাদি। এই এনজাইম হজম প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী এবং সাবলিল করে।
* প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম নামক মিনারেল আছে যা কিনা স্নায়ুর কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখে। মাংসপেশী সচল রাখে এবং হজম প্রক্রিয়ার পাচন ক্ষমতা বাড়ায়।
* গমঘাসের রসকে অক্সিজেন আধার হিসাবে গণ্য করা হয়। অক্সিজেন ছাড়া কোনো কিছুই জীবিত থাকে না। এই অক্সিজেন শরীরের সমস্ত মাংস কোষকে সুস্থ এবং কার্যক্ষম রাখে।
* অপরিহার্য এমাইনো এসিড যেমন: এলানাইন, গ্লুটামিক এসিড এবং সেরিন ইত্যাদি আছে যা মাংসপেশীর শক্তিশালী কোষ গঠনে সাহায্য করে।
* মিনারেল, ক্যালসিয়াম এবং আয়রন যথেষ্ট পরিমাণে আছে বিধায় শরীরের হাড় এবং দাঁত এর সুস্থতা নিশ্চিত করে এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।
* ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি এবং ভিটামিন-ই প্রচুর পরিমাণে আছে যা শরীরে শক্তির যোগান দেয়, শ্বাসপ্রশ্বাসকে সাবলিল রাখে। শরীরের সমস্ত রাসায়নিক কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চলতে সাহায্য করে। রক্তের pH এর মাত্রা সঠিক রাখে।
* এছাড়া জৈব সার দ্বারা উৎপাদিত কচি গমপাতার রসে মানুষের সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় ১০২ প্রকারের খাদ্যপুষ্টি উপাদান আছে যা আর কোনো খাদ্যদ্রব্যে নাই।
কচি গমঘাসের রস কী করতে পারে
* এটা সুক্ষ রক্তবাহী নালীর কার্যক্ষমতা বাড়ায় যার ফলে রক্তের চাপ স্বাভাবিক থাকে।
* রক্তে হিমোগ্লোবিন সৃষ্টি করে।
* শরীরের দুর্গন্ধ মুক্ত করে।
* কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং নিয়মিত পেট পরিষ্কার রাখে।
* চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ছানিপড়া থেকে রক্ষা করে।
* চামড়ার মসৃণতা বৃদ্ধি করে।
 
কচি গম ঘাসের রসের বিষ/টক্সিন মুক্ত করন ক্ষমতা
ক্স শরীরে কোনো প্রকার হেবমেটাল প্রবেশ করলে কচি গমঘাসের রস এটাকে মুক্ত করতে পারে।
ক্স কোলনের টক্সিন পরিষ্কার করতে কচি গমঘাসের রস ব্যবহার একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিহীন পরীক্ষিত আচাণে
ক্স টক্সিনমুক্তকরন ক্ষমতা অন্যান্য সবুজ শাকসবজি অপেক্ষা অনেক বেশি
 
বিখ্যাত গবেষক গমঘাসের রস দ্বারা বিগত ৩০ বৎসর যাবত কঠিন রোগের চিকিৎসা করেছেন। ১৯৪০ সালে আমেরিকান জার্ণালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায় ডা. বেনজামিন ক্রসকিন এমডি বলেছেন,গমঘাসের ক্লোরোফিল শরীরের সবধরনের অসুখ সারাতে অদ্বিতীয় এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন। সুইজারল্যান্ডের একজন বিখ্যাত রসায়নবিদ ডা. মাস্ক বিসার গবেষণা করে দেখেছেন, গমঘাসের রস যার মধ্যে ৭০% ক্লোরোফিল বিদ্যমান যা হার্টের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।
 
কীভাবে সহজে গমচারার রস পানকরা যাবে
 
গমচারার রস নিজে করতে হবে এবং সম্ভব হলে ১ মিনিটের মধ্যেই পান করতে হবে। তাহলে এর মধ্যেকার জীবন্ত পুষ্টি এবং এনজাইজমের সুফল পাওয়া যাবে।
অথবা বাজার থেকে কেনা গমচারার পাউডার পানি অথবা যে-কোনো ফলের রসের সঙ্গে পান করতে পারেন। পুষ্টি উপদান এবং এনজাইম নষ্ট না করে আধুনিক প্রক্রিয়ায় বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হয় বলে এটা পানকরা যায়।
আমাদের দেশে এ ধরনের পণ্য এখন পর্যন্ত উৎপাদনের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয় নাই। তাই টবে গমচারা উৎপাদন করে এর থেকে রস তৈরি করে খাওয়া নিরাপদ। এছাড়া আমেরিকা, জার্মান, সুইজারল্যান্ড প্রভৃতি দেশে গমচারার বড়ি এবং ক্যাপসুল পাওয়া যায়। সেগুলি সংগ্রহ করতে পারলে খুব সহজেই ব্যাবহার করে এর সুফল পেতে পারেন।
 
শরীরে কোনো রোগ থাকুক বা না থাকুক আপনি যদি নিয়মিত গমচারার রসপান করতে থাকেন দেখা যাবে, আপনার সমস্ত রোগ নিরাময় হয়েছে। আর কোনো রোগ না থাকলে আপনার ভিতরে একধরনের অলৌকিক শক্তি অনুভব করবেন।
 
গম চারার রস কিভাবে কাজ করে
“অক্সিজেন বুলেটের মতো ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করতে পারে, ঠিক সেইরকম গমচারার রস শরীরের ক্যান্সার কোষকে ধীরে হলেও ধবংস করে। ক্লোরোফিল এবং হিমোগ্লোবিনের উভয়ের গঠন উপাদান প্রায় একইরকম। পার্থক্য শুধু একজায়গায় ক্লোরোফিলের প্রধান মিনারেল ম্যাগনেসিয়াম এবং হিমোগ্লোবিনের মিনারেল আয়রন। ক্লোরোফিল শরীরে সৃষ্ট বিষ কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ভেঙ্গে এর মধ্যেকার অক্সিজেন মলিকুলকে মুক্ত করার ক্ষমতা আছে। তাই ক্লোরোফিল শরীরের টক্সিনমুক্ত করার শ্রেষ্ঠ হাতিয়ার হিসাবে বিবেচিত।”
 
যে-কোনো কঠিন রোগ যেমন: ক্যান্সার, আলঝেমেয়ার, প্যারালাইসিস ইত্যাদি কচি গমপাতার রস প্রতিদিন দুইবার এবং অঙ্কুরিত শস্যদানা কাঁচা সবজি এবং ফল বাদামজাতীয় খাবার একনাগাড়ে ৬ মাস খেলে সম্পূর্ণ নিরাময় হয় বলে বহুবার প্রমানিত হয়েছে।
এছাড়া গমচারার রসে সেলেনিয়াম এবং লেটাইল নামক পদার্থ আছে যা কিনা ক্যান্সার প্রতিষেধক রূপে কাজ করে।
ক্লোরোফিল এবং সেলেনিয়াম যৌথভাবে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। গমচারার রস একটা উৎকৃষ্ট (ক্ষার) এ্যালকেনাইন খাদ্য যা পান করলে শরীরের ক্যামিক্যাল ভারসাম্য বজায় রাখে।
 
গমচারার রসে চিকিৎসা বিষয়ে যত রকম তথ্য-উপাত্ত
১. গমচারার রসে উৎকৃষ্টমানের জীবন্ত ক্লোরোফিল পাওয়া যায়।
২. আলোর প্রথম এবং প্রধান উৎপন্ন পণ্য হচ্ছে ক্লোরোফিল যার মধ্যে সূর্যের শক্তি ভরপুর। গমচারার রসপান করার অর্থই হচ্ছে সূর্যের শক্তিকে সরাসরি পানকরা।
৩. গমচারার রস একটা অশোধিত ক্লোরোফিল যেটা পানকরা যায় এবং পায়ুপথ দিয়ে এটাকে পুস কওে কোলন বিষমুক্ত করা যায়।
৪. এই ক্লোরোফিলের উপর ভিত্তি করেই পৃথিবীর সমস্ত গাছপালা, লতাপাতা এবং ঘাস জীবন নিয়ে বেঁচে আছে।
৫. সমস্ত উদ্ভিদজগতে যেমন: ক্লোরোফিলের দ্বারা বেঁচে থাকে তেমনি শরীরের সমস্ত মাংসপেশী এবং মস্তিষ্কের কোষ অক্সিজেন দ্বারা সিক্ত হয়ে জীবন্ত থাকে।
৬. ক্লোরোফিল ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার ক্ষমতা আছে। এটা শরীরের ভিতরে এবং বাহিরের সমস্ত সংক্রামক রোগ নিরাময় করতে পারে।
৭. ডা. বেনগার্ড জেনসন বিখ্যাত চিকিৎসা বিজ্ঞানী বলেছেন,“গম চারার রস খাওয়ার পর শরীরের সামান্যতম শক্তি Ÿ্যয় না করে একমিনিটের মধ্যেই হজম হয়ে যায়।”
৮. বিজ্ঞানীগণ প্রমাণ করেছেন, ক্লোরোফিলে দেহের সমস্ত ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে দমন করার ক্ষমতা আছে।
৯. রক্তশূন্যতা রোগীদের গমচারার রস পান করালে ৪-৫ দিনের মধ্যেই নতুন রক্ত সৃষ্টি করে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসে।
১০. পশ্চিমা দেশগুলির গরু খামারীরা দেখেছে গমের ঘাস খাওয়ালে গরুর ফার্টিলিটি বেড়ে যায়। গমঘাসের প্রচুর ম্যাগনসিয়াম যৌন হরমোন বৃদ্ধি করে যা বংশ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
১১. সমস্ত উদ্ভিদ থেকে ক্লোরোফিল নিষ্কাশন করে ব্যবহার করা যায় কিন্তু গমচারার রস মানব শরীরের জন্য সর্বোত্তম কেননা এর মধ্যে দেহের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১০০ ধরনের উপাদান আছে যা অন্য কোনো উদ্ভিদ ক্লোরোফিলে নেই। এছাড়া গমচারা জৈব সার দিয়ে জš§ালে মাটির মধ্যে বিদ্যমান ১০২ রকমের মিনারেলের ৯২ টায় শোষণ করতে পারে।
১২. তৃণভোজী প্রাণীদের শুধু গমঘাস খাইয়ে বহুদিন বাঁচিয়ে রাখা যায়।
১৩. ডা. এ্যান উইগমোর একজন প্রাকৃতিক চিকিৎসক তার প্রতিষ্ঠানে পুরাতন কঠিন রোগ শুধু গমচারার রস পানকরিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে আরোগ্য করে দেয়া হয়।
১৪. তরল ক্লোরোফিল পানকরার পর প্রতিটি রোগাগ্রস্থ মাংসের কোষে ঢুকে একে শোধন করে সুস্থ করে তোলে।
১৫. গমচারার রস অন্য যে-কোনো সবজি অথবা ফল থেকে রক্ত শোধন করার ক্ষমতা অনেক বেশি।
১৬. তরল ক্লোরোফিল শরীরের সঞ্চিত ঔষধের টক্সিন পরিষ্কার করে দেয়।
 
১৭. ক্লোরোফিল শরীরের অতিরিক্ত এসিডকে নিষ্ক্রিয় করে।
১৮. ক্লোরোফিল রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখে।
১৯. ক্লোরোফিল লিভারের ক্ষতিকর টক্সিন পরিষ্কার করে।
২০. এ্যালকেলাইন সমৃদ্ধ খাবার সঙ্গে নিয়মিত গম চারার রস পান করলে ৬-৭ মাসের মধ্যে শরীরের সমস্ত আচিল এবং দাগ সরাইয়া দিতে পারে।
২১. ক্লোরোফিল শরীরের মধ্যে পরিষ্কারক হিসাবে কাজ করে যা শরীর র্দুগন্ধমুক্ত করে।
২২. সামান্য পরিমাণ গমচারার রস নিয়মিত পান করলে দাঁতের ক্ষয়রোগ দূর করে।
২৩. গমচারার রস ৫ মিনিট মুখের মধ্যে রাখলে দাঁতের যন্ত্রণা / ব্যথা সেরে যাবে এবং গামের মধ্যকার বিষজাতীয় বর্জ্য বের করে আনবে।
২৪. গমচারার রস দিয়ে গারগেল করলে গলা ব্যথা সেরে যায়।
২৫. নিয়মিত গমচারার রস পান করলে যে-কোনো কঠিন চর্ম রোগ সেরে যাায়।
২৬. দাঁতে পাইরিয়া রোগ হলে গমচারার রস দিয়ে নিয়মিত কুলকুচি করলে সেরে যাবে।
২৭. কোনো রোগ না থাকলেও গমচারার রস নিয়মিত পান করলে শরীরের সুস্থতার নিশ্চয়তা সারা জীবনের জন্য পাওয়া যায়।
২৮. গমচারার রস হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।
২৯. গম চারার রসে অধিক পরিমাণে এ্যানজাইম পাওয়া যায় যা হজমের জন্য সহায়ক।
৩০. গমচারার রস একটা উন্নতমানের চামড়ার ময়লা পরিষ্কারক এবং এর পুষ্টি চামড়া শোষণ করতে পারে। বাতটাবে পানির সঙ্গে মিশিয়ে ১৫-২০ মিনিট শরীর ডুবিয়ে রাখলে শরীর প্রয়োজনীয় মিনারেল এবং ভিটামিন শুষে নেয়।
৩১. গমচারার রসে অধিক পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম আছে। এটা পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য রোগ দূর হয়।
৩২. ডা. ব্রিসার একজন বিখ্যাত বিজ্ঞানী বলেছেন, “ক্লোরোফিল হচ্ছে সূর্যের শক্তি। এটা পানকরলে হৃদৎপিন্ড, ভাসকুলর সিস্টেম, পাকস্থলী, ফুসফুসের কার্যক্রমের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে”।
৩৩. গমচারার রস রক্তে উচ্চচাপ কমাতে পারে।
৩৪. গমচারার রস রক্তের সবধরনের টক্সিন পরিষ্কার করতে পারে।
 

যাদের গম চারা লাগবে তারা যোগাযোগ করুন : শহীদ আহেমদ 01715118889

LEAVE A REPLY