কিডনি ও ইউরোলজি সমস্যা প্রাকৃতিক চিকিৎসা নিরাপদ এবং কায

0
330

Baby Khatun Afterবেবী খাতুন, বয়স 42, এক বছর আগে কিডনি রোগে আক্রান্ত হন। প্রথমে তার ভগ্ন স্বাস্থের জন্য একটি কবিরাজি ঔষধ খান কিছুদিন ঔষধ খাওয়ার পর থেকেই তার শরীর ফুলতে থাকে, তিনি তখন মনে করেছেন যে তার ভগ্ন স্বাস্থ্য ভাল হচ্ছে, কিন্তু কয়েক দিন যেতে না যেতেই অনেক বেশি মোটা হয়ে পরেন েএবং হঠাৎ তার প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যায়, দুই দিন তিনদিন তার প্রস্রাব হয় না, সেই সময় মফস্সল ডাক্তার ও হাসপাতাল গিয়ে সাময়িক প্রস্রাব করানোর ব্যবস্থা করা হয় কিন্তু স্থায়ী সমাধান হয় না।

এর পর ঢাকা ইউরোলজি অনেক ডাক্তার দেখায় কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি তাই দেশের বাহিরে ভারতের নাম করা কিছু হাসপাতালে চিকিৎসা করেন, তারা তাকে কিছু ঔষধ দেন যেগুলো খেলে প্রস্রাব হয়, পা ফুলা কমে। কিন্তু স্থায়ী কোন সমাধান তিনি পান না।
এভাবে এক বছর পার করার পর শরীর দিনকে দিন খারাপ হতে থাকে আরো অনেক উপসর্গ দেখা দিতে থাকে । এরই মধ্যে ভারতে একাধিকবার ভারত গিয়ে কোন সুরাহা না পেয়ে ন্যাচারোপ্যাথি সেন্টারে একজন সুফল ভূগির পরামর্শে।
ন্যাচারোপ্যাথি সেন্টারে এসে বেবী খাতুন প্রথমে যে সকল ঔষধ সেবন করতেন তা বন্ধ করে প্রাকৃতিক উপায়ে কিডনির সমস্যা ও ইউরোলজী জণিত সমস্যার উপায় গুলো আতস্থ করতে থাকেন, আকুপ্রেসার ও খাদ্য দিয়ে প্রথম দিন থেকেই স্বাভাবিক উপায়ে প্রস্রাব হতে থাকে এবং কোমড় ব্যথা, পা পুলে যাওয়া, মাথা ঘোরা ইত্যাদি উপসর্গ গুলো কমতে থাকে।

6 দিনের মধ্যে শরীরের ওজন 3 কেজি কমে যায় এবং স্বাভাবিক জীবন যাপনে কোন ধরণের ব্যঘাত ছাড়াই চলতে সক্ষম হন।
বেবী খাতুন সুস্থতার পর্যায়ে আছেন, আশাকরি তিনি আমাদের প্রাকৃতিক নিয়মগুলো মেনে চললে ছমাসের মধ্যে পুরোপুরী সুস্থ হয়ে উঠবেন।
প্রাকৃতিক চিকিৎসার এটাই বড়গুণ এর কোন ঔষধ প্রয়োজন পড়ে না, শুধু বিশুদ্ধ খাদ্য এবং আকুপ্রেসার দিয়েই সুস্থ্ থাকা যায়, স্বাস্থ রক্ষা করা যা কোন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই।

ন্যাচারোপ্যথি সেন্টার
83 নয়া পল্টন, ফ্লাট নং বি – 7, জোনাকী সিনেমা হলের বিপরীতে মসজিদ গলি। ঢাকা।
শহীদ আহমেদ – 01715118889
আলমগীর আলম – 01611010011

SHARE

LEAVE A REPLY