পবিত্র রমজান মাসে খাদ্য গ্রহণের নিয়মাবলি

0
87

* ইফতার : প্রথমে লেবু, মধু ও কুসুম গরম পানির সরবত পান করুন। এরপর আনার অথবা আপেলের রস ৫০% পানি মিশিয়ে ১ গ্লাস পান করবেন।

* খেজুর /খোরমা খাওয়ার পর দুই প্রকার ফল খাবেন। যে কোন একটি শ্রেণী থেকে বেছে নিন। মিষ্টি জাতীয় যেমন: আম, কাঁঠাল, পাঁকা পেঁপে, পাঁকা কলা ইত্যাদি অথবা টক জাতীয় ফল যেমন: আপেল, আনারস, আঙুর, পেয়ারা ও আনার। টক ফল হলে সামান্য বিট লবণের ছিটা দিলে টক ফলের স্বাদ বেড়ে যায়। পারত পক্ষে মিষ্টি এবং টক জাতীয় ফল এক সঙ্গে খাবেন না। ফল খাওয়ার পর পানি পান করা যাবে না।

* ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন ফল হজম হয়ে যাবে।

* সালাদ : অঙ্কুরিত (ছোলা, মুগ, গম) কাঁচা পেঁয়াজ, শশা, গাজর, টমেটো, লেবু, পুদিনা পাতা, বিট লবণ এবং সামান্য তেতুল গোলা (সমস্ত অঙ্কুরিত শস্য দানা জীবন্ত খাদ্য দ্রব্য এবং এগুলি শরীরের প্রয়োজনীয় এনজাইম, ভিটামিন, মিনারেল এবং এমাইনো এসিডের যোগান দেয়) অলিভ তেলে রসুন ও মুড়ি ভেজে কয়েক টুকরা নারকেল সহ খাবেন (রসুন একটি উৎকৃষ্ট উদ্ভীদ এন্টিবায়োটিক খাদ্য দ্রব্য। শরীরের বেশির ভাগ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। নারকেল সুস্বাদু এবং পুষ্টিতে ভরপুর একটি ভেজাল মুক্ত খাদ্য।)

* শেষে ঘরে পাতা টক দই এর ঘোল/মাঠা ১ গ্লাস পান করে ইফতার পর্ব শেষ করুন।

* ফল খাওয়ার পূর্বে এবং সালাদ খাওয়ার পর প্রয়োজনীয় পানি পান করে নিতে পারেন।

* রাতের খাবার : ঢেঁকি ছাটা চালের ভাত, সবজি, তাজা মাছের পাতলা ঝোল, মুগ ডাল ও ঘরে পাতা টক দই (টক দই হজম শক্তি বৃদ্ধি করা ছাড়াও পাকস্থলীর ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া তাড়িয়ে দিয়ে স্বাস্থ্য বান্ধব ব্যাকটেরিয়া প্রতিস্থাপন করে।) ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে পানি পান করুন।

* সেহেরী : যে কোন সবজির ভর্তা, ভাত, দেশী ছোট মুরগীর ঝোল, ঘরে পাতা টক দই। অথবা দেশী গমের আটার রুটি, সালাদ, দেশী ছোট মুরগীর ঝোল ও ঘরে পাতা টক দই। ২০ মিনিট পর পানি পান করুন।

* রমজান মাসে অত্যধিক ক্ষুধা পেলেও এক বসায় বেশী পরিমাণ খাওয়া উচিত নয়। কারণ রাতে শরীরের পরিপাক প্রক্রিয়া কমে যায়।

* পরিমিত সুষম খাবার স্বাস্থ্য রক্ষার অন্যতম চাবিকাঠি।

* ভাজাপোড়া, অধিক মসলাযুক্ত খাবার পরিহার করা অতি উত্তম।

SHARE

LEAVE A REPLY