পাখি পর্যবেক্ষণ মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী

0
71

পাখি পর্যবেক্ষণ মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারীপাখি পর্যবেক্ষণ মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী মানসিক চাপ ও বিষণ্নতা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে পাখি পর্যবেক্ষণ। শুধু পাখি নয়, মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে বৃক্ষসহ নৈসর্গের সন্নিধানও।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে, যেসব ব্যক্তির বাসস্থানের আশপাশে পাখি ও বৃক্ষসহ নৈসর্গিক পরিবেশের প্রাচুর্য বেশি, তাদের মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও বিষণ্নতায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কম। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটার, ব্রিটিশ ট্রাস্ট ফর অর্নিথোলজি ও ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

কয়েকশ মানুষের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত পাখি পর্যবেক্ষণের সুযোগ পান তাদের মানসিক সুস্বাস্থ্য বজায় থাকে বেশ চমত্কারভাবে। মানসিক এ সুস্বাস্থ্য বজায় রাখায় একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বাসস্থানের পাশে গুল্ম, লতানো ও বড় বৃক্ষের উপস্থিতি। বাড়ির আশপাশে এসবের পর্যাপ্ত উপস্থিতি সবাইকে মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা থেকে দূরে রাখে। বিষয়গুলো নিশ্চিত করা গেলে এমনকি শহুরে পরিবেশও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর খুব কম নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
গবেষণার জন্য বিভিন্ন বয়স, আয় ও জাতিসত্তার ২৭০ জনেরও বেশি ব্যক্তির মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর পর্যবেক্ষণ চালান বিশেষজ্ঞরা। গবেষণায় আরো উঠে আসে, যারা বদ্ধঘরের বাইরে অত্যন্ত কম সময় কাটান তাদের মধ্যে উদ্বেগ ও বিষণ্নতার মতো মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি।
গবেষণায় যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামশায়ারের মিল্টন কিনেস এবং বেডফোর্ডশায়ারের বেডফোর্ড ও লুটন শহরের বাসিন্দা ও পাখির সংখ্যার ওপর পর্যবেক্ষণ চালানো হয়। এতে গবেষকরা দেখতে পান, এসব এলাকার বাসিন্দার বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও মানসিক চাপে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কার সঙ্গে বিকালে দেখা পাখির সংখ্যা বেশ সম্পর্কযুক্ত। শুধু তাই নয়, এসব এলাকার বাসিন্দা যেদিন বেশি সংখ্যক পাখি দেখতে পান, সেদিনই তারা উত্ফুল্ল থাকেন বেশি। কিন্তু যেদিন কম দেখেন সেদিন তাদের মধ্যে মানসিক এ ধরনের ব্যাধির প্রকোপ দেখতে পাওয়া যায়।
এর কারণ হিসেবে গবেষকরা বলছেন, বেশি সংখ্যক পাখি ও বৃক্ষ পর্যবেক্ষণ মানুষকে প্রকৃতির কাছাকাছি নিয়ে যায়। অন্যদিকে মানুষের মস্তিষ্কে জেঁকে বসা মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও বিষণ্নতাকে দূর করে দেয় নৈসর্গিক সান্নিধ্য।

তাই আপনার সন্তানদের নিয়ে ঘুরে আসুন কোন প্রাকৃতিক পরিবেশে তাতে বাচ্চাদের মনবিকাশে বিরাট ভূমিকা রাখবে সেই সাথে বাড়বে বাচ্চাদের সাথে নিজের দূরত্ম, শিশুমন বিকাশে আমরা খুব কমই নজর দেই, শুধু পাঠ্যপুস্করে উপর বেশি জোড় দেই যা শিশুর মানসিক বিকাশে ভূমিকার রাখার চাইতে শিশুদের জীবনের প্রতি অনিহা এবং চিত্তশূণ্য জীবন হিসেবে গড়ে উঠে যার দরুন হঠাৎ শিশু্ এমন কোন কান্ড করে বসে যা আপনি কোনদিন চিন্তাও করেন নি। তাই শিশু মনবিকাশে মনযোগী হোন।

SHARE

LEAVE A REPLY