ওষুধের অপব্যবহার হতে পারে হৃদরোগ! মুক্তির উপায় ন্যাচারোপ্যথি ।

0
7008

আপনি কি শরীর ভালো রাখতে দীর্ঘ দিন ধরে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট গোত্রের ওষুধ খান? মনে রাখবেন, হাই ডোজে দীর্ঘ দিন ওষুধ খেলে কিন্তু হিতে বিপরীতই হতে পারে৷

হার্টের অসুখ থেকে শুরু করে হাঁপানি, ডায়াবেটিস, ডিসলিপিডিমিয়াএমন হাজারো রোগে বহু চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনে সাপ্লিমেন্টরি মেডিসিন হিসেবে উল্লেখ থাকে ভিটামিনসি, ভিটামিন, বিটাক্যারোটিন ইত্যাদিতে সমৃদ্ধ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট৷ লক্ষ্য, শরীরে ঘুরে বেড়ানো ক্ষতিকারকফ্রি র‌্যয়াডিক্যালসকে দমন করা৷ কিন্তু আধুনিক গবেষণা বলছে উল্টো কথা৷ ২০১৫তে প্রকাশিতহার্পার ইলাস্ট্রেটেড টেক্সট অফ বায়োকেমিস্ট্রি সাম্প্রতিকতম সংস্করণে বলা হয়েছে, বেশি মাত্রায় দীর্ঘ দিন অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট খাওয়ার অর্থ বাড়তি বিপদ ডেকে আনা৷ কারণ, তখন এই ওষুধ প্রোঅক্সিডেন্টের ভূমিকা পালন করের‌্যয়াডিক্যালস‘-এর যতেচ্ছ ব্যবহারই হৃদপিন্ড সহ দেহের ক্ষতি করে৷

শুধু অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টই নয়, ক্রনিক বহু অসুখে ব্যবহৃত অনেক ওষুধই দীর্ঘ ব্যবহারে হৃদযন্ত্রের ক্ষতি করে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে৷ সেই তালিকায় চিকিৎসকরা সবার উপরে রাখছেন এনএসএআইডি (নন-স্টেরয়ডিয়াল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ) বা চলতি কথায়, পেনকিলার৷ অস্টিয়ো-আর্থ্রাইটিস, রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস থেকে শুরু করে যে সব অসুখে ব্যথা-যন্ত্রণা নিত্যসঙ্গী, সেই সব রোগের চিকিত্‍সায় দেদার পেন-কিলারের দীঘদিন ব্যবহার লম্বা সময়ে রোগীর হৃদযন্ত্রের প্রভূত ক্ষতি করে৷ পরিসংখ্যান বলছে, বিভিন্ন এনএসএআইডি-র হাই ডোজে লংটার্মড ব্যবহার ৩২-৫০% ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাক ডেকে আনে৷

ডায়াবিটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু ওষুধও হার্টের সমস্যা ডেকে আনতে পারে৷ গ্লিটাজোন (পায়োগ্লিটাজোন, রোসিগ্লিটাজোন), গ্লিপটিন (স্যাক্সোগ্লিপটিন, লিনোগ্লিপটিন), সালফোনিলইউরিায় (গ্লিবেনক্ল্যামাইড) ইত্যাদি ওষুধের ক্ষেত্রেও কার্ডিয়াক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে বিভিন্ন ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে৷ সোডিয়াম রিটেনশন বেড়ে গিয়ে উচ্চ রক্তচাপ মাথাচাড়া দেওয়া থেকে শুরু করে অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস (হৃদপেশি মোটা হয়ে যাওয়া), এমনকি হার্ট ফেলিয়োরের মতো নজির রয়েছে এই সব ওষুধগুলির ক্ষেত্রে৷ বেশ কয়েকটি হার্ট অ্যাটাকের অঘটন ঘটে যাওয়ার পর রোসিগ্লিটাজোন ওষুধটি নিষিদ্ধ পর্যন্ত হয়ে গিয়েছে সারা পৃথিবীতে৷

গ্যাস-অম্বলের ওষুধ হিসেবে জনপ্রিয় প্যান্টোপ্রাজোল দীর্ঘ দিন ধরে নিত্য খেয়ে গেলেও অন্যদের চেয়ে হার্ট ফেলিয়োরের আশঙ্কা বাড়ে বলে জানাচ্ছেন ফার্মাকোলজির বিশেষজ্ঞরা৷ তাঁরা জানাচ্ছেন, ক্রনিক যন্ত্রণা কিংবা শ্বাসকষ্টের চিকিৎসা্য় দীর্ঘ দিন স্টেরয়েড ব্যবহারেও একই ক্ষতি হতে পারে৷ ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে ক্যান্সারের চিকিৎসা্য় ব্যবহৃত নানা কেমোথেরাপির ওষুধেও৷

শুধু ওষুধেই যে ক্ষতি, এমন নয়৷ জীবনচর্যার পদে পদেও লুকিয়ে রয়েছে এমন নানা শঙ্কা৷ সেই তালিকার প্রথমেই রয়েছে সিডেন্টারি লাইফস্টাইল৷ অর্থাৎ, কায়িক পরিশ্রম না-করে শুয়ে-বসে দিন কাটিয়ে দেয়ার অভ্যাস৷ এই অভ্যাসের জেরে মেদ আর ওজন বাড়ে যার জেরে ডায়াবেটিস আর ডিসলিপিডিমিয়ার সমস্যা আচমকা হানা দিতে পারে শরীরে৷ নিট ফল- হার্টের ব্যামো৷ রেড মিট খাওয়ার অভ্যাস এবং শাকসব্জি ও ফলমূল না-খাওয়ার অভ্যাস নিশ্চিত ভাবেই করোনারি হার্ট ডিজিজ ডেকে আনে অসময়ে৷

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শিশু এবং নারীরাই বেশি হৃদরোগের ঝুঁকিতে থাকে। সে কারণেই বারবার শিশু ও নারীর ওপর বিশেষ দৃষ্টি দেওয়ার কথা বলে থাকেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ। তাদের মতে, এই রোগ থেকে বাঁচতে হলে গোটা জীবন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। হার্ট সুস্থ রাখার জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রতিবছর বিশ্বে মোট রোগীর মৃত্যুর মধ্যে ২৯ ভাগ হার্টের রোগে মারা যায়। বিশ্বস্বাস্থ্য সম্মেলনে অসংক্রামক রোগগুলোর ভেতর হৃদরোগকে অন্যতম ভয়াবহ হিসেবে শনাক্ত করে ২০২৫ সালের ভেতর এসব রোগে মৃত্যুর হার ২৫ ভাগ কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ১৯৪টি দেশে কর্মসূচি প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে।

হার্টের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং এনজিও প্লাষ্ট আর বাইপাস সার্জারির মাধ্যমে এ রোগের নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। তাই দেশের শতকরা ৯০ জনের পক্ষেই চিকিৎসা করানো সম্ভব হয় না। তা ছাড়া অধিকাংশ মানুষই থাকেন গ্রামে। সর্বত্র যোগাযোগের ব্যবস্থাও উন্নত নয়। ফলে হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু ঘটে।

এমন অবস্থায় করণীয় হচ্ছে শুধু মাত্র প্রাকৃতিক উপায়ে সুস্থতা ফিরিয়ে আনা, সকল ঔষধ বন্ধ করার উপায় বেড় করা। প্রাকৃতিক উপায়ে সুস্থতা স্থায়ী. তাই নিয়মিত আকুপ্রেসার ও খাদ্য পথ্য দ্বারা শরীরের সকল ধরণের রোগ সহ, হৃদ রোগ থেকে মুক্তির জন্য জীবনধারা পরিবতন করে অসুস্থতা থেকে মুক্তি পাওয়া।

ন্যাচারোপ্যথি সেন্টার দিচ্ছে এমন নিশ্চয়তা যা প্রাকৃতিক উপায়ে হৃদ রোগের সকল চিকিৎসায় যুগান্তকারী সফলতা যা কোন ধরণের পাশ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই স্থায়ীরূপে রোগ নিরাময় সম্ভব, হৃদরোগের সকল সমস্যার জন্য ন্যাচারোপ্যথি সেন্টার ৬ দিনে প্যাকেজে থেকে রোগ থেকে স্থায়ী সমাধানের পথ খুজে পাওয়া।

যারা হৃদরোগে ভুগছেন এবং ঔষধের ভারে দিনে দিনে শারীরিক সক্ষমতা হারাচ্ছেন তারা যোগাযোগ করুন

ন্যাচারোপ্যথি সেন্টার
৮৩ নয়া পল্টন, গাজীনীড়, ফ্লাট বি ৭, জোনাকি সিনেমা হলের বিপরীতে মসজিদ গলি।
শহীদ আহমেদ (খাদ্য পথ্য বিশেষজ্ঞ) 01715118889
আলমগীর আলম (আকুপ্রেসার বিশেষজ্ঞ) 01611010011

 

SHARE

LEAVE A REPLY