লিভারের রোগ প্রতিরোধের সহজ উপায়

0
952

যকৃৎ (লিভার) শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। যকৃৎ কোনো রোগে আক্রান্ত হলে পুরো শরীরের ওপর তা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। শরীরের আয়রন, চিনি এবং চর্বির বিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যকৃৎ। অবসন্নতা, দুর্বলতা, হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া বা বমি হওয়া ইত্যাদি যকৃতের রোগের প্রাথমিক লক্ষণ।

কখনো কখনো যকৃতের রোগ সারাতে ওষুধের প্রয়োজন পড়ে। আবার কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে যেগুলো যকৃতের রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে সাহায্য করে।

সবচেয়ে বেশী কার্যকর হচ্ছে শীতের সবজির সুপ। এই সুপ তৈরী করতে প্রয়োজন হবে এটি বিট, একটি টমাটো, একটি গাজর, একটি মুলা এই চার সবজি একসাথে করে ভেজিটেবল সুপ বানাতে হবে, সুপে কোন টেষ্টিং সল্ট ব্যবহার করা যাবেনা। এই সুপ পনেরদিন রাতের খাবারের পরিবর্তে খেতে হবে। এতে লিভারের অনেক জটিল সমস্যাও দূর হয়ে যাবে।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার
অ্যাপেল সিডার ভিনেগার যকৃৎ থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। এটি সহজে চর্বি হজম করতে সাহায্য করে। সমপরিমাণ মধু, লেবু ও অ্যাপেল সিডার ভিনেগার পানিতে মেশান। এক মাস নিয়মিত এই মিশ্রণটি সেবন করলে যকৃতের রোগ থেকে দূরে থাকা যায়।

আমলকী
আমলকী ভিটামিন সি-এর ভালো উৎস। এটি যকৃতের কার্যক্রমকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। দিনে পাঁচ থেকে ছয়টি আমলকী খেলে যকৃৎ ভালো থাকে।

হলুদ
হলুদের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপপটিক উপাদান। এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মতো কাজ করে। হলুদ যকৃতের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে।

পেঁপে
যকৃতের যত্ন নেওয়ার জন্য পেঁপে খুবই উপকারী। এটি সহজলভ্য। দুই চা চামচ পেঁপের রসের সঙ্গে আধা চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিয়মিত মিশ্রণটি সেবন করতে পারেন। মিশ্রণটি চার মাস সেবন করলে যকৃৎ সুস্থ থাকবে।

গ্রিন টি
গ্রিন টির মধ্যে রয়েছে ক্যাটাচিন। এটি যকৃতের কার্যক্রম ভালো রাখে। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে নিয়মিত গ্রিন টি পানের অভ্যাস গড়ে তুলুন। তবে যেকোনো খাবার নিয়মিত খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আকুপ্রেসার 

লিভারের সমস্যার জন্য আকুপ্রেসার খুবই কার্যকর তাই নিয়মিত আকুপ্রেসার করলে এবং খাবারের সংস্কার করলে লিভারের যত জটিল সমস্যাই হোক সেড়ে যাবে। ছবিতে দেয়া পয়েন্টে প্রতিদিন দুবেলা খালিপেটে 200 বার করে শুধু ডানহাতে আকুপ্রেসার করুন। আশাকরি নিয়মিত আকুপ্রেসারে আপনার লিভারের সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। লিভার চিকিৎসা অত্যান্ত জটিল চিকিৎসা তাই খাদ্য বিষয়টি আপনাকে মাথায় রাখতে হবে, যে খাবার গুলো শরীরে  এসিডিটি তৈরী করে তা এড়িয়ে চলতে হবে, সহজ পাচ্য এবং হজম বর্ধক খাবারের প্রতি মনোযোগী হতে হবে। আর নিয়ম মেনে চললে লিভার সুস্থ হতে বাধ্য, লিভার এমন একটি অঙ্গ যে, তার 60 ভাগ সমস্যা থাকলেও তাকে বিশ্রাম দিলে সে নিজে নিজেই ঠিক হয়ে উঠে।

আরো্ও জানতে কিংবা আকুপ্রেসার নিতে যোগাযোগ করুন

IMG_5843

আলমগীর আলম
ন্যাচারোপ্যথি সেন্টার
83 নয়া পল্টন, জোনাকি সিনেমা হলের বিপরীতে মসজিদ গলি
মোবাইল – 01611010011

SHARE

LEAVE A REPLY